তাওবা ইস্তেগফারের নিয়ম পদ্ধতি কী?

তাওবা ইস্তেগফারের নিয়ম পদ্ধতিঃ
তাওবা কী? প্রথমেই জেনে নেই
 তাওবা অর্থ গোনাহ থেকে আনুগত্যের দিকে এবং অবহেলা থেকে আল্লাহর স্মরণ এর দিকে ফিরে আসা। আর এসতেগরফার অর্থ ক্ষমা চাওয়া। 



بِسْــــــــــــــــــمِ-اﷲِالرَّحْمَنِ-اارَّحِيم‎
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ!
আশা করি সকলে ভালো আছেন। সর্বাবস্থায় মহান প্রভুর শুকরিয়া "আলহামদুলিল্লাহ "।

তাওবা ইস্তেগফারের নিয়ম পদ্ধতিঃ

প্রথমেই জেনে নেই

তাওবা কী?

 তাওবা অর্থ গোনাহ থেকে আনুগত্যের দিকে এবং অবহেলা থেকে আল্লাহর স্মরণ এর দিকে ফিরে আসা। আর এসতেগরফার অর্থ ক্ষমা চাওয়া। 
প্রত্যেক বান্দার ওপর তার পাপ থেকে তওবা ইস্তেগফার করা ওয়াজিব তাওবার জন্য মোট পাঁচটি কাজ করতে হবে -

তাওবা ইস্তেগফারের নিয়ম

1/ খাঁটি অন্তরে তওবা করতে হবে অর্থাৎ শুধু আল্লাহর আযাবের ভয় ও তার নির্দেশের মহত্ত্বকে সামনে রেখে তওবা করতে হবে।

2/ পাপের প্রতি অনুতপ্ত ও লজ্জিত হতে হবে। 3/উক্ত পাপ থেকে এখনই বিরত হতে হবে। ভবিষ্যতে না করার জন্য মনে মনে সংকল্প করতে হবে।

5/ আল্লাহর হক বান্দার হক নষ্ট হয়ে থাকলে তা সংশোধন ও প্রতিকার করতে হবে। যেমন নামাজ, রোজা, হজ্ব, যাকাত ইত্যাদি।

আল্লাহর হক আদায় না করে থাকলে তা আদায় করতে হবে। আর বান্দার হক এর মধ্যে অর্থ-সম্পদ বিষয়ক হক নষ্ট করে থাকলে উক্ত অর্থ বা উক পরিমান অর্থ হকদারের নিকট বা তার মৃত্যু হয়ে থাকলে তার উত্তরাধিকারী নিকট ফেরত দিতে হবে। আর সম্ভব না হলে তাদের থেকে মাফ করিয়ে নিতে হবে। আর অর্থ-সম্পদ ব্যতীত অন্য কোন হক নষ্ট করে থাকলে যেমন গীবত বা গালি-গালাজ করে থাকলে বা মুখে কিংবা কথায় কষ্ট দিয়ে থাকলে তার থেকে মাফ করিয়ে নিতে হবে। কোন ফেতনার আশঙ্কা না থাকলে উক্ত অন্যায় উল্লেখপূর্বক ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে অন্যথায় অন্যায় উল্লেখ করা ছাড়াই ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে। তার মধ্যেও ফিতনার আশংকা থাকলে শুধু আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে। আর হকদার ব্যক্তি মৃত হলে তার উদ্দেশ্যে কিছু সদকা করে দিবে।

বি.দ্র. উপরে উল্লেখিত পাঁচটি বিষয় পূর্ণ করা ব্যতীত শুধু গতানুগতিক ভাবে মুখে তওবা ইস্তেগফার এর বাক্য আওরালেই/পড়লে হয়ে যায় না। যদিও শুধু তাওবার বাক্য মুখে আওড়ানোটাও/পড়া ফায়দা থেকে খালি নয়।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য